মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভাষা ও সংস্কৃতি

ভাষা ও সংস্কৃতি:

 

৫নং চরপাতা ইউনিয়নের   অধিকাংশ মানুষ কৃষি কাজ গবাদি পশু গরু-ছাগল-মহিষ ওহাঁস-মুরগি পালন,শাক-সবজি চাষ করে।
এনজিও-সরকারি চাকুরী,শিক্ষকতা ছাড়া স্বল্প সংখ্যক গ্রামবাসীপ্রবাসে কর্মরত।  এই অঞ্চলে নেই কোন কল-কারখানা। আছে কিছু
পোলট্রি খামার, মৎস্যচাষ এবং  ব্যবসা - বাণিজ্য। শিক্ষা-দীক্ষায় দেশের অন্যান্যজনপদ থেকে পিছিয়ে নেই। শিক্ষা,উন্নয়ন যোগাযোগে
অন্য ইউনিযনের তুলনায় অত্য ইউনিয়ন অনেক এগিয়ে আছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাষাঃ বাংলা।
 
সংস্কৃতিঃ পূবে পালকি ও রিক্সায় কাপড় পেচিয়ে নতুন বৌ/মহিলাদের এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি নেয়া হত।
বিয়ের অনুষ্ঠানে  গান বাজানো হত। বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্তা উন্নত হওয়া আচার অনুষ্টানে মোটর যানবাহনে আসা যাওয়া হয়।
মূলত ঐতিহ্য বাহী মুসলিম সভ্যতা ও সংস্কৃতি অত্য ইউনিয়নে প্রচলিত।লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভূ-প্রকৃতি ও ভৌগলিক অবস্থান
গত দিক থেকে ৫নং চরপাতা ইউনিয়নের ভাষা ও সংস্কৃতিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায়  অবস্থিত  
এই ইউনিয়নকে ঘিরে রয়েছে কেরোয়া, ফরিদগঞ্জ, আলোনিয়া এবং রায়পুর পৌরসভা। এখানে ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য বাংলাদেশের অন্যান্য
পজেলার মতই, তবুও কিছুটা বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন কথ্য ভাষায় মহাপ্রাণধ্বনি অনেকাংশে অনুপস্থিত, অর্থাৎ ভাষা সহজীকরণের
প্রবণতা রয়েছে।আঞ্চলিক ভাষার সাথে সন্নিহিত লক্ষ্মীপুর, ঢাকার ভাষার অনেকটা সাযুজ্য রয়েছে।  আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা ইউনিয়নের
মানুষের আচার-আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, ভাষা, সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
 
অত্র ইউনিয়নে তেমন কোন সাংস্কৃতিক সংগঠন নেই।শুধু মাত্র ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এর পাশাপাশি একুশে ফেব্রুয়ারী,  স্বাধীনতা দিবস
এবং বিজয় দিবস ইত্যাদি পালন করা হয়ে থাকে। এই সকল জাতীয় দিবসে ইউনিয়ন পরিষদের উৎযোগে পরিষদ পাঙ্গনে বিষেশ অনুষ্ঠানের
আয়োজন করা হয়ে থাকে। এক সকল অনুষ্ঠানে গ্রামের সর্ব স্তরের সাধারণ জনগণ অংশ গ্রহণ করে থাকে।

 


Share with :

Facebook Twitter